মাদ্রাসা শি’ক্ষকদের বাড়িভাড়া ও বে’তন নিয়ে নতুন তথ্য, সেপ্টেম্বরের বেতন ছাড়…See More

 মাদ্রাসা শি’ক্ষকদের বাড়িভাড়া ও বে’তন নিয়ে নতুন তথ্য, সেপ্টেম্বরের বেতন ছাড়…See More


দেশের এমপিওভুক্ত মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নিয়ে নতুন তথ্য পাওয়া গেছে। বাড়িভাড়া ভাতা বৃদ্ধি, বেতন-ভাতা ইএফটির মাধ্যমে প্রদান এবং সেপ্টেম্বর মাসের বেতন ছাড়—সব মিলিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে এ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়িভাড়া ভাতা ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে মূল বেতনের মোট ১৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে ২০২৫ সালের ১ নভেম্বর থেকে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া চালু হয়েছিল; এরপর আরও ৭ দশমিক ৫ শতাংশ যোগ হয়ে মোট হার ১৫ শতাংশ হয়েছে। তবে ভাতা প্রদানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সরকারি নির্দেশনা ও শর্ত প্রযোজ্য।

মাদ্রাসা শিক্ষকদের ক্ষেত্রেও বাড়িভাড়া নিয়ে কার্যক্রম
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ইএফটির মাধ্যমে দেওয়ার জন্য অনলাইনে তথ্য হালনাগাদ, সংশোধন ও সংরক্ষণের বিষয়ে অধিদপ্তর একাধিক নোটিশ দিয়েছে। জুলাই ২০২৬-এ এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয় এবং আগস্টে তার স্পষ্টীকরণও প্রকাশ করা হয়।

এর আগে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জুলাই মাসের বেতনের পাশাপাশি শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়িভাড়া ও ইনক্রিমেন্টের বিষয় নিয়েও কাজ করছিলেন বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল।

সেপ্টেম্বর মাসের বেতন নিয়েও সুখবর
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বেসরকারি মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের সেপ্টেম্বর মাসের বেতন-ভাতার সরকারি অংশের চেক ১ অক্টোবর ২০২৬ ছাড় করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীরা ৪ অক্টোবরের পর সংশ্লিষ্ট ব্যাংক থেকে সরকারি অংশের বেতন-ভাতা উত্তোলন করতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে।

ফলে সেপ্টেম্বর মাসের বেতন নিয়ে অপেক্ষায় থাকা এমপিওভুক্ত মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ আপডেট।

ইএফটির মাধ্যমে বেতন দেওয়ার উদ্যোগ
মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদানে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের প্রশাসনিক ও তথ্যগত জটিলতা ছিল। এসব সমস্যা কমাতে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার বা EFT ব্যবস্থার দিকে এগোচ্ছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে, মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা সংক্রান্ত জটিলতা দ্রুত সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মাদ্রাসা এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম (MEMIS) সাপোর্ট প্রকল্পে নতুন করে EFT কার্যক্রম যুক্ত করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

এর ফলে শিক্ষক-কর্মচারীদের ব্যাংক হিসাবে সরাসরি বেতন-ভাতা পাঠানোর ব্যবস্থা আরও কার্যকর করার চেষ্টা চলছে।

বাড়িভাড়া কত হবে?
১৫ শতাংশ বাড়িভাড়া মূল বেতনের ওপর হিসাব করা হবে। উদাহরণ হিসেবে কোনো এমপিওভুক্ত শিক্ষকের মূল বেতন যদি ২০ হাজার টাকা হয়, তাহলে ১৫ শতাংশ হিসাবে বাড়িভাড়া হবে ৩ হাজার টাকা।

আবার মূল বেতন ৩০ হাজার টাকা হলে বাড়িভাড়া হবে ৪ হাজার ৫০০ টাকা।

তবে প্রকৃত প্রাপ্য অর্থ নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীর মূল বেতন, পদ, এমপিও অবস্থা এবং প্রযোজ্য সরকারি বিধি ও শর্তের ওপর।

শুধু বাড়িভাড়া নয়, ইনক্রিমেন্ট নিয়েও আলোচনা
মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতার সঙ্গে বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। জুলাই মাসের বেতন পরিশোধের সময় বাড়িভাড়া ও ইনক্রিমেন্টের হিসাব সমন্বয়ের বিষয়ে কাজ করার কথা জানিয়েছিল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক সময় বেতন, বাড়িভাড়া ও ইনক্রিমেন্ট নিয়ে বিভিন্ন অঙ্কের হিসাব ছড়িয়ে পড়ে। এসব হিসাবকে চূড়ান্ত ধরে নেওয়ার আগে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা সংশ্লিষ্ট সরকারি পরিপত্রের তথ্য মিলিয়ে দেখা জরুরি।

নতুন নীতিমালাতেও পরিবর্তন এসেছে
২০২৬ সালে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা প্রকাশ করেছে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ। মাদ্রাসা খাতের শিক্ষক-কর্মচারীদের নিয়োগ, পদ ও এমপিওসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় এই নীতিমালার আওতায় রয়েছে।

এ ছাড়া ২০২৬ সালে এমপিওভুক্ত মাদ্রাসার শিক্ষক বদলি নিয়েও নতুন নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছে।

শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা
সব মিলিয়ে বর্তমানে মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য তিনটি বিষয় বিশেষভাবে আলোচনায় রয়েছে—১৫ শতাংশ বাড়িভাড়া, বেতন-ভাতা ইএফটির মাধ্যমে প্রদান এবং নিয়মিত বেতন ছাড়ের কার্যক্রম।

সেপ্টেম্বর মাসের সরকারি অংশের বেতন ইতোমধ্যে ছাড় হয়েছে এবং ৪ অক্টোবরের পর ব্যাংক থেকে তা উত্তোলনের সুযোগ থাকার কথা জানানো হয়েছে। অন্যদিকে বেতন-ভাতা ইএফটির মাধ্যমে দেওয়ার জন্য তথ্য হালনাগাদের কাজও চলছে।

তবে বাড়িভাড়া বা বেতন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কোনো অতিরিক্ত সুবিধা, বকেয়া বা নির্দিষ্ট অঙ্কের দাবি সরকারি প্রজ্ঞাপন বা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নির্দেশনা ছাড়া নিশ্চিত তথ্য হিসেবে গ্রহণ করা উচিত নয়।

মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য সামনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবে—ইএফটি কার্যক্রম কতটা দ্রুত ও নির্বিঘ্নে বাস্তবায়িত হয় এবং বেতন-ভাতা ও অন্যান্য প্রাপ্য সুবিধা নিয়মিতভাবে তাদের ব্যাংক হিসাবে পৌঁছে যায় কি না।



🎁 Your Special Offer is Loading...

Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.

15s

⏳ Stay here — your offer will open shortly.
✅ You can go back to this page anytime.

Comments

Popular posts from this blog

আর দেখা যাবে না গোলাম মাওলা রনিকে...see more

এটাই কি তাহলে আসল ঘটনা...Seemore

অবশেষে বেরিয়ে আসলো সত্য ঘটনা, সোহেল বলে আমি একা করি নাই আমার সা….see more