৬ মাসের প্রেম, চার মাসের বিয়ের পর জানতে পারলেন পাত্রী ছেলে, আসল চমক হয় বি....see more
৬ মাসের প্রেম, চার মাসের বিয়ের পর জানতে পারলেন পাত্রী ছেলে, আসল চমক হয় বি.....see more
প্রথমে ফেসবুকে ভুয়া নারী পরিচয়ে বন্ধুত্ব। এরপর ধীরে ধীরে প্রেমের সম্পর্ক। প্রায় চার মাস আগে সেই সম্পর্ককে দেওয়া হয় বিয়ের রূপ। মোবাইল ফোনে ‘বিয়ে’ করে স্বামী-স্ত্রীর মতো সম্পর্ক বজায় রাখতে থাকেন ইতালি প্রবাসী এক ব্যক্তি ও কথিত ‘সুমাইয়া আক্তার’। এরই মধ্যে বিকাশের মাধ্যমে ওই প্রবাসীর কাছ থেকে নেওয়া হয় ৩ লাখেরও বেশি টাকা।কিন্তু বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর ফাঁস হলো পুরো প্রতারণার রহস্য। ‘সুমাইয়া’ আসলে কোনো নারী নন, তিনি নাটোরের লালপুর উপজেলার গন্ডবিল গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে শান্ত আলী (২০) নামের এক তরুণ।
ভুক্তভোগী রাজধানী ঢাকার বাসিন্দা ৪৮ বছর বয়সি ওই প্রবাসী দীর্ঘদিন ধরে ইতালিতে বসবাস করছেন। প্রায় ছয় মাস আগে ফেসবুকে এক নারী পরিচয়ে তার সঙ্গে যোগাযোগ শুরু হয়। ‘সুমাইয়া আক্তার’ নামের ওই ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক।
পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, চার মাস আগে শান্ত আলী ওই প্রবাসীর সঙ্গে বিয়ের একটি ভুয়া সম্পর্ক তৈরি করেন। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তারা বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন। এরপর কথিত স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক বজায় রেখে চলতে থাকে শান্তর প্রতারণা। সম্পর্কের সুযোগে বিভিন্ন অজুহাতে ওই প্রবাসীর কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে তিন লাখেরও বেশি টাকা নেন শান্ত। প্রতারণার বিষয়টি আরও বিশ্বাসযোগ্য করতে শান্ত তার বাবাকে ওই প্রবাসীর সঙ্গে ‘শ্বশুর’ পরিচয়ে কথা বলাতেন বলে জানা গেছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে গন্ডবিল গ্রামে শান্ত আলীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে ও তার বাবা শহিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ সময় প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারের পর থানায় জিজ্ঞাসাবাদের সময় শান্তর মোবাইলে হঠাৎ ফোন করেন ওই ইতালি প্রবাসী। তখন পুলিশের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, এতদিন যার সঙ্গে প্রেম ও বিয়ের সম্পর্ক বজায় রেখে আসছিলেন, সেই ‘সুমাইয়া আক্তার’ আসলে একজন পুরুষ। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানান।
লালপুর থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম পলাশ বলেন, গ্রেফতার শান্ত আলী ও তার বাবা শহিদুল ইসলাম ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার ও ইমো আইডি হ্যাকিং ও প্রতারণার সঙ্গে জড়িত একটি চক্রের সক্রিয় সদস্য। তাদের গ্রেফতারের পর ইতালি প্রবাসীর সঙ্গে প্রতারণার বিষয়টি জানা যায়।
এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা হয়েছে। পরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়।
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
⏳ Stay here — your offer will open shortly.
✅ You can go back to this page anytime.

Comments
Post a Comment