তড়িঘড়ি করে ব্রিটেন থেকে সব বোমারু বিমান সরাল যুক্তরাষ্ট্র, নেপথ্যে....see more
তড়িঘড়ি করে ব্রিটেন থেকে সব বোমারু বিমান সরাল যুক্তরাষ্ট্র, নেপথ্যে.....see more
অজ্ঞাত হুমকি আসার পর যুক্তরাজ্যে মোতায়েন করা সব দূরপাল্লার মার্কিন বোমারু বিমান নিজস্ব ঘাঁটিতে ফিরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন এক কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে সিএনএন।ওই কর্মকর্তা জানান, ব্রিটেনের আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিতে মোতায়েন করা সব মার্কিন বোমারু বিমান যুক্তরাষ্ট্রে তাদের নিজস্ব ঘাঁটিতে পুনরায় মোতায়েন করা হয়েছে। তবে কী ধরনের হুমকির কারণে বিমানগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র হুমকিটিকে একটি ‘বাস্তব ঘটনা’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। সাধারণত কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হলে মার্কিন সামরিক বাহিনী বোমারু বিমানগুলোকে ওই অঞ্চলের অন্য কোনো ঘাঁটিতে সরিয়ে নেয়। কিন্তু এবার সেগুলো সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে, যা তুলনামূলকভাবে অস্বাভাবিক বলে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা।
ব্রিটেনের আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বি-১ বোমারু বিমান মোতায়েন করা হয়েছিল। ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে এসব বিমান ব্যবহৃত হয়েছে। ঘাঁটিটি মার্কিন গ্লোবাল স্ট্রাইক কমান্ডের একটি অপারেটিং লোকেশন হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। এই কমান্ড দূরপাল্লার হামলা পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে।
মার্কিন বোমারু বিমান সরিয়ে নেওয়ার ঘটনা এমন সময়ে ঘটল, যখন ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি ঘিরে একটি কথিত ষড়যন্ত্রের তদন্ত চলছে।
গত ২৭ সেপ্টেম্বর ব্রিটিশ পুলিশ ঘাঁটির কাছে সন্ত্রাসবাদ ও বিস্ফোরক-সংক্রান্ত অপরাধের সন্দেহে পাঁচজনকে গ্রেফতার করে। তাদের বয়স ২৩ থেকে ২৫ বছর এবং তারা লন্ডন এলাকার ব্রিটিশ নাগরিক বলে জানানো হয়। পরে তাদের জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে থাকা তিনটি ভ্যানে কোনো বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি বলে জানায় পুলিশ।
গ্রেফতারদের দ্রুত মুক্তি দেওয়ার ঘটনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘আমি এমনটা করতাম না।’
এরপর গত বৃহস্পতিবার কথিত ওই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ২৫ বছর বয়সী এক ব্রিটিশ-ইরানি দ্বৈত নাগরিককেও গ্রেফতার করা হয়।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম গত সপ্তাহে বলেন, এই ঘটনায় ইরানের সম্পৃক্ততার ‘জোরালো ইঙ্গিত’ রয়েছে। ৩০ সেপ্টেম্বর বিবিসিকে তিনি বলেন, ইরান এতে কোনো না কোনোভাবে ভূমিকা রেখেছে বলে ব্রিটিশ সরকারের বিশ্বাস।
এর আগে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওও জানিয়েছিলেন, কথিত এই ষড়যন্ত্রে ‘একজন বিদেশি পক্ষের হাত’ রয়েছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেননি তিনি।
এদিকে, ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইরান। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, তেহরান অভিযোগগুলোকে ভিত্তিহীন বলে অভিহিত করেছে এবং ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে।
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
⏳ Stay here — your offer will open shortly.
✅ You can go back to this page anytime.

Comments
Post a Comment