বিশেষজ্ঞদের মত....

 গরম, অতিরিক্ত ঘাম, জ্বর, বমি, পাতলা পায়খানা কিংবা বেশি পরিশ্রমের কারণে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। অনেকেই মনে করেন, শুধু পানি খেলেই এই সমস্যা দূর হয়ে যায়। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরে পানির পাশাপাশি প্রয়োজন হয় এমন কিছু খনিজ উপাদানেরও, যা শরীরের তরলের ভারসাম্য ঠিক রাখতে সাহায্য করে। তাই পানির পাশাপাশি কিছু খাবারও দ্রুত শরীরকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে পারে।




.বিশেষজ্ঞরা জানান, তৃষ্ণা লাগা মানেই শরীরে ইতোমধ্যেই কিছুটা পানিশূন্যতা তৈরি হয়েছে। এ সময় মাথা ঘোরা, দুর্বল লাগা, মুখ শুকিয়ে যাওয়া, মনোযোগ কমে যাওয়া বা অতিরিক্ত ক্লান্তি অনুভব হতে পারে।


শরীরে পানিশূন্যতা হলে সবচেয়ে উপকারী খাবারের মধ্যে রয়েছে ডাবের পানি। এতে প্রচুর পানি, প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান ও সামান্য শর্করা থাকে, যা শরীরের তরলের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। ধীরে ধীরে ডাবের পানি পান করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা, বিশেষ করে বমি বমি ভাব থাকলে।








এছাড়া গরম স্যুপ বা হাড়ের ঝোলও শরীরের হারানো পানি ও প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান পূরণে সহায়ক। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে রান্না করা হাড়ের ঝোলে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ বাড়ে। এতে বিভিন্ন সবজি যোগ করলে পুষ্টিগুণও বৃদ্ধি পায়।




.পানিশূন্যতা দূর করতে তরমুজ, বাঙ্গি ও খরমুজও বেশ কার্যকর। এসব ফলে প্রায় ৯০ শতাংশের বেশি পানি থাকে। গরমের কারণে শরীর পানিশূন্য হয়ে গেলে ঠান্ডা করে রাখা এসব ফল দ্রুত স্বস্তি দিতে পারে। বমি বমি ভাব থাকলে জমিয়ে রাখা ফলও ধীরে ধীরে খাওয়া যেতে পারে।


টমেটো ও বিভিন্ন কাঁচা সবজি দিয়ে তৈরি ঠান্ডা সবজির ঝোলও শরীরে পানির ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে। কারণ রান্না না করায় সবজির প্রাকৃতিক পানি ও পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ন থাকে।


বিভিন্ন ফল, সবজি, দই বা দুধ দিয়ে তৈরি ঘন পানীয়ও পানিশূন্যতা দূর করতে ভালো ভূমিকা রাখে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে শরীরে পানি ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পুষ্টিও পাওয়া যায়। বমি বমি ভাব থাকলে আদা বা পুদিনা যোগ করলে কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে।


দুধও পানিশূন্যতা দূর করার ভালো একটি উপায়। এতে পানি, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও সামান্য সোডিয়াম থাকে। এসব উপাদান শরীরে তরল ধরে রাখতে সাহায্য করে এবং দীর্ঘ সময় শরীরকে আর্দ্র রাখে।


এছাড়া টক দই ও শসা দিয়ে তৈরি গ্রিক ধরনের একটি খাবারও শরীরকে আর্দ্র রাখতে সহায়ক। টক দই ও শসা—দুটিতেই পানির পরিমাণ বেশি থাকায় এটি গরমের সময় উপকারী খাবার হিসেবে বিবেচিত হয়।


বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, শিশু, বয়স্ক, খেলোয়াড়, বাইরে কাজ করেন এমন ব্যক্তি এবং পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারীদের পানিশূন্যতার ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি। জ্বর, বমি, পাতলা পায়খানা, অতিরিক্ত ঘাম বা কিছু ওষুধের কারণেও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে।


পানিশূন্যতা এড়াতে নিয়মিত পর্যাপ্ত পানি পান, পানি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া এবং প্রস্রাবের রঙের দিকে নজর রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রস্রাবের রঙ যদি গাঢ় হলুদ হয়ে যায়, তবে তা পানিশূন্যতার লক্ষণ হতে পারে।




:তবে যদি শরীরে তীব্র পানিশূন্যতা দেখা দেয়, অতিরিক্ত দুর্বলতা, অজ্ঞান হওয়ার মতো অবস্থা বা গুরুতর অসুস্থতা দেখা দেয়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।





🎁 Your Special Offer is Loading...

Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.

15s

⏳ Stay here — your offer will open shortly.
✅ You can go back to this page anytime.

Comments

Popular posts from this blog

আর দেখা যাবে না গোলাম মাওলা রনিকে...see more

এটাই কি তাহলে আসল ঘটনা...Seemore

অবশেষে বেরিয়ে আসলো সত্য ঘটনা, সোহেল বলে আমি একা করি নাই আমার সা….see more