ভাতিজাদের বঞ্চিত করে মেয়েকে সব সম্পত্তি লিখে দেওয়া কি জায়েজ, যা বললেন আহমাদুল্লাহ....
ভাতিজাদের বঞ্চিত করে মেয়েকে সব সম্পত্তি লিখে দেওয়া কি জায়েজ, যা বললেন আহমাদুল্লাহ....
ইসলামি উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী ছেলে সন্তান না থেকে শুধু মেয়ে সন্তান থাকলে সম্পদের বণ্টনের অনুপাত এবং অংশীদার বদলে যায়। প্রখ্যাত ইসলামি আলোচক ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠাতা শায়খ আহমাদুল্লাহ এই বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যা দিয়েছেনসম্প্রতি তাকে এক ব্যক্তি প্রশ্ন করেন বর্তমানে যাদের ছেলে নাই কিন্তু মেয়ে আছে, তার বাবা মৃত্যুর আগে সম্পত্তি মেয়েদের নামে লিখে দিয়ে যায় যাতে ভাতিজারা যেন না পায়। তা কতটুকু শরীয়ত সম্মত?প্রশ্নের জবাবে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, কোনো মানুষ জীবদ্দশায় একটা মেয়ে আছে, সব সম্পদ তাকে লিখে দিয়েছে, অথবা দুইটা মেয়ে আছে, সব সম্পদ তাদেরকে দিয়ে গেছেন। ভাতিজারা যেন না পায় বা হকদাররা যেন না পায়। এই কাজ করা অনুচিত। যদি দিয়ে যায়, মেয়েদের জন্য সেটা হালাল হবে।তিনি বলেন, এটি করা অনুচিত, কারণ কোনো ওয়ারিসকে বা আপনার সম্পদ কেউ পেতে পারে তাকে আপনি বঞ্চিত করার ইচ্ছা করলেন, এটা হলো তার প্রতি এক রকমের অবিচার ও জুলুম, এটা জায়েজ না। কিন্তু যদি এভাবে দিয়ে দেয় মেয়েদেরকে হেবা হিসেবে বা দান হিসেবে—ঠিক আছে আমি তোমাদেরকে দান করে দিলাম বা বাপ মেয়েদেরকে দান করতেই পারে সমান হারে দিল—তাহলে সেক্ষেত্রে সেটা দেওয়াটা জায়েজ হবে, কিন্তু অন্যকে যে ঠকানোর উদ্দেশ্য হয়েছে ওটার কারণে তার গুনাহ হবে।তিনি আরও বলেন, অতএবতিনি আরও বলেন, অতএব এরকমটি না করা উচিত। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, তোমাদের ওয়ারিসদের মধ্যে কে বেশি উপকারে তোমরা জানো না। এজন্য আল্লাহ যা নির্ধারণ করেছেন সে অনুযায়ী দেওয়া উচিত এবং ওইটাকে মানার ভেতরেই কল্যাণ আছে। আহমাদুল্লাহ বলেন, তবে হ্যাঁ, মেয়েদেরকে কিছু সম্পদ আপনি গিফট হিসেবে সমান হারে ভাগ করে দেন জীবদ্দশায়, সেটা ভিন্ন বিষয়।আর কিছু সম্পদ রাখেন যে মৃত্যুর পরে সমান হারে যার যা প্রাপ্য তা পাবে। সবগুলো আপনি দিয়ে দিবেন না। আল্লাহ রব্বুল আলামীন আমাদেরকে আমল করার তৌফিক দান করুন।
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
⏳ Stay here — your offer will open shortly.
✅ You can go back to this page anytime.

Comments
Post a Comment