হা'রাম উপার্জন মানুষের...
হা'রাম উপার্জন মানুষের... হালাল উপার্জন একজন মুসলমানের জীবনে বরকত, শান্তি ও আল্লাহর সন্তুষ্টি বয়ে আনে। অন্যদিকে হারাম উপার্জন মানুষের ইবাদত, দোয়া এবং পরকালের সফলতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। পবিত্র ইসলামে তাই জীবিকা অর্জনের ক্ষেত্রে হালাল পথ অনুসরণের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ইসলামি শিক্ষায় বলা হয়েছে, শুধু কঠোর পরিশ্রম করলেই উপার্জন হালাল হয় না। উপার্জনের পথও শরিয়তসম্মত হতে হবে। দুর্নীতি, ঘুষ, প্রতারণা, ভেজাল, ওজনে কম দেওয়া কিংবা অন্যের অধিকার নষ্ট করে অর্জিত অর্থ ইসলামে হারাম। হারাম উপার্জন নিয়ে কঠোর সতর্কবার্তা রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "অবৈধ উপার্জনের খাদ্যে যে দেহের মাংস বৃদ্ধি পায়, জাহান্নামই তার জন্য অধিক উপযুক্ত।" (জামে তিরমিজি, হাদিস: ৬১৪) বিজ্ঞাপন অন্য এক হাদিসে তিনি আরও বলেছেন, "যে দেহ হারাম খাদ্যে প্রতিপালিত হয়েছে, তা জান্নাতে প্রবেশ করবে না।" (মাজমাউয যাওয়ায়িদ, হাদিস: ১৮১০৯) কেন দোয়া কবুল হয় না? হারাম উপার্জনের সবচেয়ে বড় ক্ষতির একটি হলো—এটি মানুষের দোয়া কবুল হওয়ার পথে বাধা সৃষ্টি করে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "নিশ্চয়ই আল্লাহ পবিত্র। তিনি পবিত্র ও হালাল বস্তু ছাড়া অন্য কিছু গ্রহণ করেন না।" এরপর তিনি এমন এক ব্যক্তির কথা উল্লেখ করেন, যিনি দীর্ঘ সফর শেষে ধুলোমাখা অবস্থায় দুই হাত তুলে বারবার বলেন, "হে আমার রব! হে আমার রব!" অথচ তার খাবার হারাম, পানীয় হারাম, পোশাক হারাম এবং জীবিকা হারাম উপায়ে অর্জিত। তখন রাসুল (সা.) বলেন, "এমন ব্যক্তির দোয়া কীভাবে কবুল হবে?" (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১০১৫) হালাল উপার্জনের গুরুত্ব ইসলামি শিক্ষায় বলা হয়েছে, হালাল উপার্জন শুধু অর্থের পবিত্রতা নিশ্চিত করে না, বরং মানুষের ইবাদত, দোয়া ও জীবনে বরকত নিয়ে আসে। আর হারাম উপার্জন মানুষের নেক আমল নষ্ট করে, আত্মাকে কলুষিত করে এবং আখিরাতে কঠিন শাস্তির কারণ হতে পারে। তাই প্রতিটি মুসলমানের উচিত জীবিকার ক্ষেত্রে সব সময় হালাল পথ বেছে নেওয়া এবং হারাম উপার্জন থেকে নিজেকে দূরে রাখা।
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
15s
⏳ Stay here — your offer will open shortly.
✅ You can go back to this page anytime.

Comments
Post a Comment